অনুসন্ধানে জানা গেছে, বনভূমি রক্ষার দায়িত্বে থাকলেও উল্টো বন প্রশাসনের ভেতরেই গড়ে উঠেছে এক অঘোষিত প্রভাববলয়, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ডেপুটি রেঞ্জার আব্দুল মান্নান।
উখিয়া রেঞ্জের সদর বিট এলাকায় স্থাপনা নির্মাণ ও জবরদখলের সুযোগ করে দেওয়ার বিনিময়ে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন হচ্ছে।
স্থানীয়রা বলছেন, বনভূমি রক্ষার কথা বলা হলেও বাস্তবে সেখানে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলার পথ সুগম করা হচ্ছে প্রভাব খাটিয়ে।
এ ঘটনায় কথিত হেডম্যান লেদু ও কালা সোনা নামে দু’জনকে ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীরা বলছেন, তাদের মাধ্যমে বিভিন্ন অপকর্ম পরিচালিত হচ্ছে এবং মাঠপর্যায়ে দখল ও নির্মাণ কার্যক্রম তদারক করা হয়।
বিভিন্ন কাজের ‘মাসোহারা’ ও ‘নোটিশ’ দেওয়ার নামে সংশ্লিষ্টদের হাতে টাকার চিঠি ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এভাবে নিয়মিত অর্থ আদায়ের মাধ্যমে নানা অনিয়ম চলছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।
নেপথ্যে জাহাঙ্গীর নামে এক বনকর্মীর সম্পৃক্ততার কথাও উঠে এসেছে।
সুত্রমতে, তাকে ব্যবহার করে মাঠপর্যায়ে যোগাযোগ ও অর্থ সংগ্রহের কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ডেপুটি রেঞ্জার আব্দুল মান্নানের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। বনভূমি রক্ষার স্বার্থে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এসব অভিযোগ গুলো মিথ্যা দাবি করে ডেপুটি রেঞ্জার আব্দুল মান্নান জানান এসব আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। যাদের নোটিশ দিয়েছি তাদের মামলা দায়ের হয়েছে।