গত ৩০ আগস্ট জাহেদ ইকবাল নামে এক ব্যক্তিকে জমি জমা সংক্রান্ত বৈঠক থেকে গ্রেপ্তার করে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মামলায় আদালতে পাঠানোর অভিযোগ ওঠে। গত ৬ অক্টোবর মো. হাসান নামে একজন চুরির ঘটনায় মামলা করতে গেলে তাকে আওয়ামী লীগ ট্যাগ দিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেন বাবুল আজাদ। তাছাড়াও মামুন আলীসহ একাধিক ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ বাবুলের বিরুদ্ধে বেশ পুরোনো। জানা যায়, ২০০৭ সালে বাংলাদেশ পুলিশে ৩০ তম আউটসাইট ক্যাডেট ব্যাচ হিসেবে যোগদান করেন বাবুল আজাদ। ২০১৫ সালে কক্সবাজারে মানবপাচারে জড়িত ২৪ পুলিশ কর্তার নামের সাথে তার নামও ওঠে আসে।
জানতে চাইলে সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এণ্ড অপারেশন্স) ফয়সাল আহমেদ জানান, আমার আগে যিনি দায়িত্বে ছিলেন তিনি বাবুল আজাদের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন ঢাকায় পাঠিয়েছেন। সেখানে কি আছে আমার জানা নেই।