• শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
বনায়নের আড়ালে লুটপাটের সাম্রাজ্য, কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অনিয়মের বিস্ফোরক অভিযোগে বন কর্মকর্তা যাত্রীর ছদ্মবেশে পুলিশের কোটি টাকার ইয়াবা পাচার, রুখে দিলো বিজিবি উখিয়ায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ছিনতাই: পলাতক বাবুল, জড়িত আসিফ-ইমন, এলাকায় চাঞ্চল্য নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে উখিয়ায় বিএনপি কর্মীকে হত্যার উদ্যোশ্যে হামলা – দাবি পরিবারের লাইন নিয়ে চলছে নির্বিচারে পাহাড় কেটে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে খুরুশকুল বিট কর্মকর্তা মোশারাফ কক্সবাজারে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাহসী সাংবাদিকতা: জসিম উদ্দিনকে ঘিরে প্রশংসা, সামাজিক মাধ্যমে ভিন্নধর্মী প্রতিবাদ একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য পাচার ও মাসিক মাসোহারার বরপুত্র ডেপুটি রেঞ্জার সাদেক রোহিঙ্গা থেকে ‘নাগরিক’! দ্বৈত এনআইডি, হাফেজ হাশেমের গোপন সাম্রাজ্য নতুন মিশন নিয়ে মাঠে নামছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস টাকার বিনিময়ে মুক্তি, না দিলে চালান: ওসি আজাদের বিরুদ্ধে মিলল সত্যতা

উখিয়ায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ছিনতাই: পলাতক বাবুল, জড়িত আসিফ-ইমন, এলাকায় চাঞ্চল্য

প্রতিবেদকের নাম : / ৪০ বার
সময় : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী এলাকায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ছিনতাইয়ের ঘটনায় বাবুলের পাশাপাশি নুরুল আজাদ আসিফ ও তার ভাই ইমনের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের পাশ থেকে সংঘটিত এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত বাবুল ইতোমধ্যে স্ত্রী-সন্তানসহ বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে পলাতক রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ এপ্রিল দুপুরে বাবুলের বাড়ির সামনে দিয়ে একটি ইয়াবার চালান নিয়ে যাওয়ার সময় সেটি ছিনতাই করা হয়। ঘটনার পরপরই বাবুল তার স্ত্রী-সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি মহেশখালীতে পালিয়ে যায়। বর্তমানে তার বসতবাড়ি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বাবুল দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসায়ী চক্রের সঙ্গে জড়িত। শুধু ছিনতাই নয়, ইয়াবা ও অস্ত্র পাচারের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

ঘটনার বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বাবুল ২০ হাজার পিস ইয়াবা নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। অন্যদিকে, জলুর মেয়ের জামাই থাইংখালী এলাকার টুকাই রাসেল ছিনতাইকৃত ইয়াবাগুলো ভাগ-বাটোয়ারা করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, এ ঘটনায় কুখ্যাত মাদক কারবারি ছৈয়দ নুরের ছেলে নুরুল আজাদ আসিফ এবং তার আপন ভাই ইমনও জড়িত রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১১ ফেব্রুয়ারি যৌথবাহিনীর অভিযানে ডাকাত জলুর আরেক ছেলে আমিনকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ তিনজনকে আটক করা হয়। তারা বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছে। এছাড়া জলুর বিরুদ্ধে বন বিভাগের জমি দখল করে তিনটি বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে, নুরুল আজাদ আশিকের বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধ, সরকারি কাজে বাধা প্রদান, মারামারি ও চুরিসহ একাধিক গুরুতর মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ঘটনার পর স্থানীয় জনসাধারণ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। বর্তমানে পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর