দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন প্রশাসনের কার্যক্রম নিয়ে অনিয়ম ও দুর্বল তদারকির অভিযোগ উঠেছে। বন অগ্রিম ব্যবস্থাপনা, জোত পারমিট ইস্যু, কাঠ পরিবহন অনুমোদন এবং বদলি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব-এসব ইস্যুতে মাঠপর্যায়ে প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্টরা। যদিও বিভাগীয় সূত্র বলছে, নিয়মিত নিরীক্ষা ও প্রশাসনিক নজরদারি রয়েছে; তবুও কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
বন অগ্রিম ব্যবস্থাপনা কাগজে শক্ত মাঠে দুর্বল?
বন বিভাগের বিট ও রেঞ্জ পর্যায়ে টহল পাহারা রক্ষণাবেক্ষণ ও জরুরি কাজে বন অগ্রিম একটি প্রচলিত আর্থিক ব্যবস্থা। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অগ্রিম অর্থ উত্তোলন করে পরে বিল-ভাউচার দাখিলের মাধ্যমে সমন্বয় করেন।
কিন্তু কয়েকটি অঞ্চলে অভিযোগ উঠেছে অগ্রিম সমন্বয়ের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত মাঠ যাচাই হয় না। অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে হিসাবরক্ষণ কাগজে-কলমে ঠিক থাকলেও বাস্তব কাজের যাচাই দুর্বল হলে অপব্যবহারের ঝুঁকি থাকে।
একজন সাবেক অডিট কর্মকর্তা বলেন রিয়েল-টাইম ডিজিটাল ট্র্যাকিং না থাকলে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা কঠিন। কাগুজে নিরীক্ষা অনেক সময় বাস্তবতা তুলে ধরতে পারে না।
জোত পারমিট ও কাঠ পরিবহন প্রক্রিয়াগত জটিলতা
বনাঞ্চলে গাছ কর্তন ও কাঠ পরিবহনের ক্ষেত্রে জোত পারমিট ও চলাচল পাশ বাধ্যতামূলক। সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে অনুমোদন নিয়ে কাঠ পরিবহন করা যায়।
মাঠপর্যায়ে ব্যবসায়ী ও পরিবেশকর্মীদের অভিযোগ পারমিট প্রক্রিয়া জটিল ও সময়সাপেক্ষ হওয়ায় মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ তৈরি হয়। দ্রুত অনুমোদনের জন্য অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ বা প্রভাবের সংস্কৃতি গড়ে উঠতে পারে-এমন আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
একজন পরিবেশ অধিকারকর্মী বলেন অনলাইন পোর্টাল ও কেন্দ্রীয় ডাটাবেস চালু হলে পারমিট ইস্যু স্বচ্ছ হবে। মানবিক বিবেচনার ফাঁক কমবে।

বদলি নীতিতে বিতর্ক
বন বিভাগের মতো মাঠনির্ভর দপ্তরে বদলি একটি নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। তবে বিভিন্ন অঞ্চলে সুবিধাজনক পোস্টিং নিয়ে অসন্তোষের গুঞ্জন রয়েছে।
প্রশাসন বিশ্লেষকরা বলছেন, বদলি নীতিমালা পয়েন্টভিত্তিক ও প্রকাশ্য করা হলে বিতর্ক কমবে।
কে কেন কোথায় বদলি হলেন- এ নিয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা থাকলে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব কমবে বলেন একজন সাবেক আমলা।
বনজ সম্পদ পাচার পুরোনো সংকট নতুন চ্যালেঞ্জ
সীমান্তবর্তী ও দুর্গম অঞ্চলে বনজ সম্পদ পাচার দীর্ঘদিনের সমস্যা। জনবল সংকট যানবাহন ঘাটতি এবং প্রযুক্তিগত নজরদারির সীমাবদ্ধতা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে।
স্থানীয় সূত্র বলছে, কিছু এলাকায় অবৈধ কাঠ পরিবহনের অভিযোগ মাঝেমধ্যে ওঠে। তবে সংশ্লিষ্ট বিভাগ বলছে, নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে এবং আইনভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
জবাবদিহিতা তদন্তের পথ কোথায়?
দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে তদন্তের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সংস্থার। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর এক কর্মকর্তা বলেন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও নথি পেলে আইন অনুযায়ী অনুসন্ধান শুরু করা যায়।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে লিখিত অভিযোগ পেলে বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা সম্ভব।
কাঠামোগত সংস্কারের প্রস্তাব
বিশেষজ্ঞরা কয়েকটি সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছেন- বন অগ্রিমে রিয়েল-টাইম ডিজিটাল হিসাব পারমিট ইস্যুতে কেন্দ্রীয় অনলাইন ট্র্যাকিং বদলি নীতিমালার প্রকাশ্য মানদণ্ড স্বাধীন অভিযোগ গ্রহণ সেল তৃতীয় পক্ষের নিরীক্ষা জিপিএস ভিত্তিক কাঠ পরিবহন মনিটরিং
আস্থা ফিরিয়ে আনতে কী প্রয়োজন?
বনজ সম্পদ রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এর সুশাসন নিশ্চিত না হলে পরিবেশ জীববৈচিত্র্য ও অর্থনীতি-সবক্ষেত্রেই প্রভাব পড়ে। অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসনিক সংস্কারই পারে আস্থা ফিরিয়ে আনতে- মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এবং বন বিভাগের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী যারা নিজেদের বিসিএস ক্যাডার ভাবে এদের চিনে রাখুন।
দেখুন এদের মুল চরিত্র আর জানুন এদের অতীত ইতিহাস। দূর্নীতির মাফিয়া এরা বন বিভাগের বর্তমান জামানার শ্রেষ্ঠ মুনাফিক গাদ্দার বেইমান দূর্নীতিবাজদের দূর্নীতি কুকীর্তি ও অবৈধ স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির চিত্র
রতন লাল মহত-কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগ
মোহাম্মদ সাব্বির জাহাঙ্গীর বিন ওয়ালী-ঢাকা বন বিভাগ
প্রেমানন্দ মজুমদার-সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ
মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান-খাগড়াছড়ি বন বিভাগ
মোঃ আব্দুল মান্নান-কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগ
এম.কে.এম ইকবাল হোছাইন চৌধুরী
সহকারী বন সংরক্ষক ঢাকা সদর
মোনায়েম হোসেন-চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ
রাহুল দেবনাথ (বর্তমান মুনতাসির রহমান রাহুল
জনাব মঞ্জুরুল আলম চৌধুরী
ফরেস্টার, রেঞ্জ কর্মকর্তা, কুমিরা রেঞ্জ, চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ।
জনাব মোঃ ইলিছুর রহমান
ফরেস্টার স্টেশন কর্মকর্তা ধুমঘাট বনশুল্ক ও পরীক্ষণ ফাঁড়ি চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ।
জনাব মোঃ সাজ্জাদ হোসেন
ফরেস্টার স্টেশন কর্মকর্তা ফৌজদারহাট বিট কাম চেক স্টেশন কুমিরা রেঞ্জ চট্রগ্রাম উত্তর বন বিভাগ।
উপকূলীয় বন বিভাগ চট্টগ্রাম
সকলেই ডেপুটি রেঞ্জার।
তথ্য প্রাপ্তি সাপেক্ষে চলবে ধারাবাহিক প্রতিবেদন
মোঃ আব্দুল মান্নান ডেপুটি রেঞ্জার বিট কর্মকর্তা উখিয়া বিট সবাই যাকে মাগী মান্নান নামে চিনে তার কারন স্বার্থসিদ্ধির জন্য সে তার আর্টিফিসিয়াল সুন্দরী স্ত্রী ফাতেমা মুন্নীকে ব্যবহার করে মানে কর্মকর্তাদের মনোরঞ্জন এর জন্য তাদের কাছে পাঠায়। আর কর্তৃপক্ষ কোন কাজে বাধা দিলে স্ত্রীকে দিয়ে কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা কুপ্রস্তাবের অভিযোগ সাজিয়ে কর্মকর্তাকে টেপে ফেলে স্বার্থ হাছিল করে। ভোলা বন বিভাগে কর্মরত থাকতে একজন ভালো ফরেস্ট রেঞ্জার এর বিরুদ্ধে তাঁর স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার মিথ্যা অভিযোগ তোলে ফরেস্ট রেঞ্জারকে মামলার ভয়ভীতি দেখিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয় যা তৎসময় ভোলা বন বিভাগে কর্মরত সকলে জানে। তাকে বান্দরবন হতে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগে বদলী করা হয় এবং উখিয়া সদর বিটের বিট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী বন সংরক্ষক ট্রেনিং এ যাওয়ায় সে আলাদীনের চেরাগ পেয়ে যায়। দায়িত্ব পেয়েই সে ৭৩,০০,০০০/- বন অগ্রিম পেয়ে যায় যা সে নাম মাত্র বিট কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা ভাউচার, টিপসহি ও স্বাক্ষর জাল করে আর ভুয়া পাহারাদার দেখিয়ে সব টাকা আত্মসাৎ করে। সে বিগত স্বৈরাচার সরকার আওয়ামিলীগ এর দোসর। বন মন্ত্রী শাহাব উদ্দিনের পুত্র মোঃ জাকির হোসেন জুম্মন এর সাথে ১০,০০,০০০/- টাকা চুক্তি করে চট্টগ্রাম অঞ্চল এ বদলী হয়ে আসে এবং বিপুল কৃষ্ণ দাস বন সংরক্ষককে ৫,০০০০০/- টাকা ও মন্ত্রীপুত্র জুম্মনকে দিয়ে চাপ সৃষ্টি করে বান্দরবান বন বিভাগে বদলী হয়। সদর রেঞ্জ এ বদলীর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করে কিন্তু বিপুল কৃষ্ণ দাস তাকে সদর রেঞ্জ এ বসতে দিবে না বলে তিনি সুলতান মাহমুদ হাওলাদার টিটুকেকক্সবাজার উত্তর বন বিভাগ হতে বান্দরবান বন বিভাগে বদলী করিয়ে ডিএফও হক মাহবুব মোর্শেদকে দিয়ে সদর রেঞ্জ এ বদলী করায়। এতে মোঃ আব্দুল মান্নান এর মাথা খারাপ হয়ে যায়। পরে ডিএফও তার এলাকার হওয়ায় সে প্রথমে সদর রেঞ্জে সহকারী ও বালাঘাটা এসএফএনটিসি ও পরে পাইন্দু রেঞ্জ এ রেঞ্জ কর্মকর্তার দায়িত্ব নেয়। পাইন্দু রেঞ্জে সে স্মরনকালে অবৈধ জোত পারমিট ইস্যু করে যা এখনও তদন্ত করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবো। সে ডিসি অফিসে টাকা দিয়ে এ ফরম বের করে ডিএফওকে দিয়ে জোত পারমিট এর অনুমতি করিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। আর গড়ে তোলে চলাচল পাশের আড়ালে অবৈধ বনজদ্রব্য পাচার যা তার সিন্ডিকেট দ্বারা পরিচালিত ঢাকার মোহাম্মদপুর এ স’মিল এ চিড়াই ও দরজা জানালার চৌকাঠ আর পাল্লা সাপ্লাই দিয়ে অবৈধ ব্যবসা শুরু করে যা এখনও চলমান আর প্লটের শেয়ার বিক্রির নামে শুরু করে দালালী আর ধান্দাবাজি।