• শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
বনায়নের আড়ালে লুটপাটের সাম্রাজ্য, কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অনিয়মের বিস্ফোরক অভিযোগে বন কর্মকর্তা যাত্রীর ছদ্মবেশে পুলিশের কোটি টাকার ইয়াবা পাচার, রুখে দিলো বিজিবি উখিয়ায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ছিনতাই: পলাতক বাবুল, জড়িত আসিফ-ইমন, এলাকায় চাঞ্চল্য নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে উখিয়ায় বিএনপি কর্মীকে হত্যার উদ্যোশ্যে হামলা – দাবি পরিবারের লাইন নিয়ে চলছে নির্বিচারে পাহাড় কেটে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে খুরুশকুল বিট কর্মকর্তা মোশারাফ কক্সবাজারে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাহসী সাংবাদিকতা: জসিম উদ্দিনকে ঘিরে প্রশংসা, সামাজিক মাধ্যমে ভিন্নধর্মী প্রতিবাদ একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য পাচার ও মাসিক মাসোহারার বরপুত্র ডেপুটি রেঞ্জার সাদেক রোহিঙ্গা থেকে ‘নাগরিক’! দ্বৈত এনআইডি, হাফেজ হাশেমের গোপন সাম্রাজ্য নতুন মিশন নিয়ে মাঠে নামছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস টাকার বিনিময়ে মুক্তি, না দিলে চালান: ওসি আজাদের বিরুদ্ধে মিলল সত্যতা

রোজা রেখে নাক, কান ও চোখে ড্রপ দেওয়া যাবে কি?

প্রতিবেদকের নাম : / ১০৪ বার
সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

রোজা অবস্থায় অসুস্থতার কারণে চোখ, কান বা নাকে ড্রপ (তরল ওষুধ) ব্যবহার করতে হলে অনেকেই দ্বিধায় পড়েন- এতে কি রোজা নষ্ট হবে? বিষয়টি ফিকহ ও আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের আলোকে নিচে উপস্থাপন করা হলো।

রোজা রেখে চোখে ড্রপ বা তরল ওষুধ ব্যবহার করা জায়েজ। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, চোখ থেকে সরাসরি পাকস্থলীতে পৌঁছানোর কোনো পথ নেই। তবে চোখ থেকে নাক হয়ে গলায় সামান্য কিছু পৌঁছানোর সম্ভাবনা থাকতে পারে।

ফকিহগণ চোখে সুরমা ব্যবহারের বিধানের সঙ্গে চোখের ড্রপের বিষয়টিকে তুলনা করেছেন। এ প্রসঙ্গে উম্মুল মুমিনীন হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন-

اِكْتَحَلَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ وَهُوَ صَائِمٌ

‘রাসুলুল্লাহ (সা.) রোজা অবস্থায় সুরমা ব্যবহার করেছেন।’ (ইবনে মাজাহ ১৬৮৭)

যদি ড্রপ দেওয়ার পর মুখে স্পষ্ট স্বাদ অনুভূত হয় বা সুরমার রং মুখে চলে আসে-তাহলে রোজা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকবে। তবে সাধারণত এমনটি ঘটে না। তাই চোখে ড্রপ ব্যবহার করলে রোজা ভাঙবে না।

এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক ফিকহ একাডেমি (জিদ্দাহ)-এর সিদ্ধান্তও অনুরূপ। (মাজাল্লাতু মাজমাউল ফিকহিল ইসলামী, সংখ্যা: ১০)

◼ রোজা রেখে নাকে ড্রপ দেওয়া

আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে, নাকে কোনো তরল ওষুধ ব্যবহার করলে তা সরাসরি পাকস্থলীতে পৌঁছাতে পারে। এ কারণেই প্রয়োজনে নাক দিয়ে রাইস টিউবের মাধ্যমে রোগীকে খাবার দেওয়া হয়।

চার মাযহাবের ইমামগণ একমত যে, নাকে কোনো কিছু প্রবেশ করানো হলে রোজা নষ্ট হয়ে যাবে। তাই রোজা অবস্থায় নাকে ড্রপ বা তেল ব্যবহার করা যাবে না।

এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) হজরত লাকিত ইবনে সাবুরাহ (রা.)-কে বলেন-

وَبَالِغْ فِي الِاسْتِنْشَاقِ إِلَّا أَنْ تَكُونَ صَائِمًا

‘অজুতে নাকে ভালোভাবে পানি দাও; তবে যদি রোজাদার হও, তাহলে (অতিরিক্তভাবে) নাকে পানি টেনে নিও না।’ (তিরমিজি ৭৭৮)

এ হাদিস থেকেই বোঝা যায়, নাক দিয়ে কিছু প্রবেশ করলে তা রোজার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর