বগুড়ায় জুলাই-আগস্ট আন্দোলন মামলা অব্যাহত রয়েছে। এবার সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্থানীয় তিনজন সাংবাদিকসহ ১২০ জনের নাম উল্লেখ করে ৩২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বগুড়ার কাহালু উপজেলার শিলকঁওড় গ্রামের মাছুদুর রহমানের ছেলে মো. আবদুল্লাহ ঘটনার ১৭ মাস পর সদর থানায় এ মামলা করেছেন।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক এমপি মজিবর রহমান মজনু, সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি রাগেবুল আহসান রিপু, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হাবিবুর রহমান চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগ নেত্রী সেলিমা আক্তার, ছাত্রলীগ নেত্রী ফৌজিয়া নিসাদ লোপা, শ্রমিক লীগ নেতা রাকিব উদ্দিন সিজার, লিখন মিয়া, জেলা যুবলীগ সভাপতি শুভাশীষ পোদ্দার লিটন, শহর আওয়ামী লীগ সভাপতি রফি নেওয়াজ খান রবিন, একেএম আসাদুর রহমান দুলু, জাকারিয়া আদিল, আনোয়ার হোসেন রানা, তাপস চক্রবর্তী, শাহরিয়ার আরিফ ওপেল, হেলাল উদ্দিন কবিরাজ, তার ছেলে হাসিবুল হাসান সুরুজ কবিরাজ, দৈনিক চাঁদনীবাজারের শেরপুর উপজেলা প্রতিনিধি শুভ কুমার, প্রথমআলোর শেরপুর উপজেলা প্রতিনিধি সঞ্জিব কুমার (সবুজ চৌধুরী), দৈনিক প্রভাতের আলোর ফটো সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন পল্লব, আবদুর রউফ, আবদুল গফুর, রেজাউল করিম রতন, ডা. আক্কাস আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন সুমন, আহমেদুর রহমান বিপ্লব, এমআর ইসলাম রফিক, আলমগীর শাহী সুমন, শামীম শেখ, বগুড়া মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগ নেত্রী হাবিবা আক্তার ঝুমা, আফরোজা সরকার স্মৃতি, সুরাইয়া আক্তার রিপু ও সুমাইয়া বিনতে সাইদ প্রমুখ।
বাদী মো. আবদুল্লাহ এজাহারে উল্লেখ করেছেন, গত ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় ছাত্র ও জনতা মিছিল নিয়ে শহরের সাতমাথার দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় কবি নজরুল ইসলাম সড়কে আসামিরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে তিনি (বাদী) গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। পরবর্তী সময়ে চিকিৎসা নিয়ে তিনি সুস্থ হয়েছেন। এরপর বগুড়া সদর থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
বৃহস্পতিবার বিকালে বগুড়া সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মাহফুজ আলম জানান, মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। কেউ মামলা দিলে সেখানে সাংবাদিক আছে কিনা তা দেখার সুযোগ নেই।
তিনি আরও জানান, তদন্তসাপেক্ষে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।